শরীয়তপুরের জাজিরায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তি ইলিয়াস খানের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে সালিশ বসানো হয়। সেখানে এক লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। শিশুটির বাবা জানান, তিনি ঘটনার বিচার চাইলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন চাপের মুখে একটি আপসনামায় স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন।
পরিবারের দাবি, শিশুটির সঙ্গে ঘটে যাওয়া অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত বিচার পাওয়ার পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য
জাজিরা থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সালিশে মীমাংসার অভিযোগ
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গুরুতর একটি অভিযোগকে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ না থাকায় অভিযোগের সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার প্রকৃত চিত্র পরিষ্কার হবে।
Republic71bd.com পাঠকদের জন্য যাচাইযোগ্য তথ্য ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনাটির পরবর্তী অগ্রগতি তুলে ধরবে।
