নয়াদিল্লি: ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে তিন দিনের সফরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এটিই তাঁর প্রথম সরাসরি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ।
পুতিনের এই ভারত সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের ব্রিকস সম্মেলন।
মোদির সঙ্গে বৈঠকে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন পুতিন। বৈঠকে ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার পাশাপাশি পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
ব্রিকস বিজনেস ফোরামে বক্তব্য দেবেন পুতিন
ভারত সফরের অংশ হিসেবে ব্রিকস বিজনেস ফোরাম–এ বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে রুশ প্রেসিডেন্টের। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনীতি, বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের মতো বিষয় উঠে আসতে পারে।
অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গেও বৈঠক
পুতিনের সফরসূচিতে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক রয়েছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া ও মিসরের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় হতে পারে।
ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাড়ছে ব্রিকসের গুরুত্ব
বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা, বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এবারের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। পুতিনের সরাসরি অংশগ্রহণ সম্মেলনের কূটনৈতিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের নজর থাকবে ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং ব্রিকসের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব কতটা সম্প্রসারিত হয়, সেদিকে।
আরও খবর: আন্তর্জাতিক রাজনীতি, ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক, ব্রিকস সম্মেলন এবং বিশ্ব অর্থনীতির সর্বশেষ আপডেট পেতে চোখ রাখুন Republic71BD-তে।
